দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে আগত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেশব্যাপী আজ ৫টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে আগত অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেশব্যাপী আজ ৫টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

অভিযান নং – ০১ঃ
বিআরটিএ, মিরপুর কার্যালয়ে বাসের রুট পারমিট নবায়ন করানোয় অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ সাইদুজ্জামান এর নেতৃত্বে আজ (১২-১১-২০১৯ খ্রি.) এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে দুদক টিম বিআরটিএ অফিসে একজন বহিরাগত ব্যক্তিকে অফিসের সিল ব্যবহার এবং প্রাপ্তিস্বীকার রশিদে রুট পারমিট গ্রহণের সময় বৃদ্ধি সংক্রান্ত তারিখ লিপিবদ্ধ করা অবস্থায় পায়। তিনি ছদ্মবেশে অভিযানরত দুদক টিমের গাড়িতেও রুট পারমিট বৃদ্ধি করিয়ে দেবার কথা বলে দালালির চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিআরটিএ কর্তৃপক্ষের নিকট সোপর্দ করে দুদক টিম। এছাড়া বহিরাগত ব্যক্তিকে দাপ্তরিক সিল ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার বিষয়ে বিআরটিএ, ঢাকা বিভাগের এক উচ্চমান সহকারী-কে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ। উপস্থিত সেবাপ্রার্থীরা দুদকের এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে।

অভিযান নং – ০২ও ০৩ঃ
বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে বরিশাল জেলা কার্যালয় হতে আজ একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়। সরেজমিন অভিযানে টিম হাসপাতাল হতে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহ করার প্রাথমিক প্রমাণ পায়। এছাড়া রান্নাঘরের পরিবেশ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পাওয়া যায়। উক্ত হাসপাতালে পরিলক্ষিত অব্যবস্থাপনাসমূহ দূরীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক কমিশনকে অবহিত করার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল এর পরিচালক-কে অনুরোধ করে দুদক টিম। হাসপাতাল মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অপর একটি অভিযোগে সিভিল সার্জনের কার্যালয়, বরিশাল এ অভিযান পরিচালনা করেছে একই টিম।

অভিযান নং ০৪ ও ০৫ঃ
কুড়িগ্রামে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর হতে সেলাই প্রশিক্ষণের টাকা প্রদান না করে আত্মসাতের অভিযোগে এবং রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুর হতে ২টি পৃথক এনফর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

#দুদক_ফ্রি_হটলাইন_১০৬
#দুদক_এনফোর্সমেন্ট_টিম_অভিযান

আরো খবর