প্রজেক্ট এর নাম ঃ “পাশেই আছি” “বাঁচতে হলে সুস্থতায়, “আস্থা রাখুন সুরক্ষায়”

প্রজেক্ট এর নাম ঃ “পাশেই আছি”
“বাঁচতে হলে সুস্থতায়,
“আস্থা রাখুন সুরক্ষায়”

এই স্লোগানকে সামনে রেখে প্রিয় রাঙামাটি (একটি সামাজিক সেচ্ছাসেবী ও অরাজনৈতিক সংগঠন) মেয়েদের সুরক্ষা সামগ্রী হায়জেনিক ন্যাপকিন, এবং মাস্ক বিতরণ করে।
এসময় “প্রিয় রাঙামাটি” প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফাতেমা তুজ জোহরা রেশমী বলেন আমরা বাংলাদেশের নাগরিকরা বিশেষ করে যারা এখনো উন্নয়নের হাওয়ার স্পর্শ পায় নি তারা পিরিয়ডের সময় কাপড় ব্যবহার করে। ন্যাপকিনের গুরুত্ব তাদের কাছে এখনো পৌছায় নি। রাঙ্গামাটিকে উন্নত এবং সমৃদ্ধশালী করার প্রধান অন্তরায় হলো এই জেলায় বসবাসরত মানুষদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি। স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তবে কোনো মানুষই উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করতে পারবে নাহ। আর ন্যাপকিন ব্যবহার না করার কারণে আগামী প্রজন্মএবং মা রাও পড়বে ভীষণ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে। এই স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে আমাদের এই “পাশেই আছি “প্রজেক্ট,, এরই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য প্রজেক্টটি শুরু করা হয় আসামবস্তি এলাকার (খেপ্পো পাড়া) এলাকায়, বাংলাদেশে নারীর অগ্রগতির পাশাপাশি নারী স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অধিকাংশ মেয়ে মাসিকের সময় নোংরা কাপড় ব্যবহার করে৷ কাপড়ের মধ্য দিয়ে মাসিকের রক্ত লুকানোর চেষ্টা করে অনেকে৷ আবার কেউ কেউ কিছুই ব্যবহার করে না৷ এসব অস্বাস্থ্যকর জিনিস ব্যবহারের ফলে শরীরের যে কতটা ক্ষতি হচ্ছে তা অনেক নারীরা নিশ্চয়ই জানে না৷ একজন নারী হিসেবে নিজে সচেতন হয়ে অপর নারীদেরকে সচেতন করার লক্ষ্যে প্রিয় রাঙামাটি এই উদ্যোগ।
উক্ত প্রজেক্ট এর কো অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মায়েচিং মারমা সাথি এবং
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন এডভাইজার ইকবাল আহমেদ তালুকদার রিজুয়ান, সোহেল চাকমা, প্রিয়া হক, তাজুল ইসলাম রাজু,বিশাল চৌধূরী,আমিনুর রহমান রাকিব, আজাদুল ইসলাম জিসাত,নোবেল মল্লিক, আনোয়ার হোসেন কায়সার, আফরা ইবনাত রিয়া, বিশ্বজীৎ শীল, পূর্নতা ঘোষ।এই প্রজেক্ট নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলা এবং দূর্ঘম পাহাড়ের আনাচে-কানাচে নারীদের সচেতন করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে প্রিয় রাঙামাটি।

আরো খবর